রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.৪। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ৫৪ মিনিটের দিকে এ কম্পন অনুভূত হয়। তীব্র এই কম্পনে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই বহুতল ভবন থেকে নিচে নেমে আসেন।
ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্রের (ইএমএসসি) তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরা জেলা থেকে মাত্র ২৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্বে। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল মাটির নিচে মাত্র ৯.৮ কিলোমিটার, যা অগভীর হওয়ার কারণে কম্পন বেশ জোরালোভাবে অনুভূত হয়েছে।
ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার বলছে, দেশটির পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলায়ও কম্পন অনুভূত হয়েছে। সেখানে রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল প্রায় ৫।
চলতি মাসের শেষ দিকে বাংলাদেশে বেশ কয়েকবার ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এখন পর্যন্ত এসব ঘটনায় দেশে কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে জরুরি পরিস্থিতিতে সবাইকে সতর্ক অবস্থানে থাকার পরামর্শ দিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।
এর আগে গত বুধবার রাতে ৫.১ মাত্রার এবং গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ৪.৬ মাত্রার দুটি পৃথক ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল দেশ। ১৩ ঘণ্টার ব্যবধানে পর পর দুটি কম্পনের পর আজ জুমার পরপরই আবারও বড় মাত্রার এই ভূমিকম্পে জনমনে বড় ধরনের দুর্যোগের আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
আজ (শুক্রবার) হওয়া এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ঢাকা থেকে প্রায় ২৮০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঢাকা ছাড়াও সিলেট, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাগুলোতে এই কম্পন তীব্রভাবে অনুভূত হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে দেশের কোথাও বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।