আশা ভোঁসলে আর নেই—এই সংবাদটি পাওয়ার পর থেকেই দুই বাংলার সঙ্গীতাঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের কিংবদন্তি গায়িকা রুনা লায়লার জন্য এই ক্ষতিটা ছিল অত্যন্ত ব্যক্তিগত ও আবেগের।
খবরটি শোনার সাথে সাথেই কান্নায় ভেঙে পড়েন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গায়িকা রুনা লায়লা। দীর্ঘ কয়েক দশকের বন্ধুত্ব আর শ্রদ্ধার সম্পর্কের অবসান ঘটায় নিজেকে সামলাতে পারছিলেন না তিনি। কান্নাভেজা কণ্ঠে রুনা লায়লা বলেন, ‘আশা দিদি শুধু একজন কিংবদন্তি শিল্পী ছিলেন না, তিনি ছিলেন আমার বড় বোনের মতো। আমি যখনই মুম্বাই গিয়েছি, তিনি আমাকে পরম আদরে আগলে রেখেছেন। তার চলে যাওয়ার সংবাদে আমার মনে হচ্ছে চারপাশটা হঠাৎ শূন্য হয়ে গেল।’
রুনা লায়লা স্মৃতিচারণ করে জানান, আশা ভোঁসলে তার গাওয়া গানের ভূয়সী প্রশংসা করতেন ও সবসময় তাকে বড় গায়িকা হওয়ার প্রেরণা দিতেন। সঙ্গীতের বাইরেও তাদের ব্যক্তিগত আড্ডা ও রান্নাবান্নার গল্প ছিল বেশ চর্চিত। রুনার কাছে আশা ভোঁসলে ছিলেন ভার্সেটাইল বা বহুমুখী প্রতিভার এক অনন্য উদাহরণ।
উল্লেখ্য, আশা ভোঁসলে সবসময়ই বাংলাদেশ ও এদেশের শিল্পীদের প্রতি এক ধরণের টান অনুভব করতেন। রুনা লায়লার সঙ্গে তার এই হৃদ্যতা দুই দেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্কের একটি বড় মাইলফলক হয়ে থাকবে। প্রিয় আশা দিদির প্রয়াণে রুনা লায়লা তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেছেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।