ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি দেশে প্রথমবারের মতো ইসলামী ফাইন্যান্স, ব্যাংকিং ও ইন্স্যুরেন্স বিষয়ে স্বল্প খরচে মানসম্মত বিবিএ ও এমবিএ প্রোগ্রাম চালু করেছে। এ প্রেক্ষাপটে ‘বাংলাদেশে ইসলামী ফাইন্যান্স, ব্যাংকিং ও ইন্স্যুরেন্স’ শীর্ষক এক গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার শনিবার (২৫ এপ্রিল) ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের প্রেক্ষাপটে ইসলামী অর্থনীতি, ব্যাংকিং ও বীমা খাতের সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নিয়ে আয়োজিত এ সেমিনারে সংশ্লিষ্ট খাতের বিশিষ্টজন, শিক্ষাবিদ ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. ফরিদ আহমদ সোবহানীর সভাপতিত্বে সেমিনারের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইসলামী অর্থনীতিবিদ ও শরিয়াহ পরামর্শক মুফতি আবদুল্লাহ মাসুম, ফাউন্ডার ডিরেক্টর, আইএফএ কনসালটেন্সি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) প্রফেসর ড. এ কে এম ইকবাল আজিম, ডিন, স্কুল অব বিজনেস, ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য আবুল কাসেম হায়দার। অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ড. (মুফতি) ইউসুফ সুলতান, ফাউন্ডার ও সিইও, এডিএল অ্যাডভাইজরি, মালয়েশিয়া এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের শরিয়াহ অ্যাডভাইজরি বোর্ডের সদস্য।
সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন ড. কে. এম. জাকির হোসেন, সহকারী প্রোগ্রাম পরিচালক, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইসলামিক ফাইন্যান্স; মোঃ হাবিবুর রহমান, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট, ইসলামী ব্যাংক; এবং ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ড. আবুল বাশার খান।
অতিথিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন সেন্টার ফর ইসলামিক ইকোনমি স্টাডিজ-এর ভাইস প্রিন্সিপাল মুফতি আহসানুল ইসলাম, মালিকুল মুল্ক মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মুফতি সাজ্জাদুর রহমান, জামি’আ মুহাম্মাদিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসার মুফতি আব্দুল মালেক এবং জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসার মুফতি তাওহিদুল ইসলাম।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতিতে ইসলামী ফাইন্যান্স, ব্যাংকিং ও ইন্স্যুরেন্স খাতের গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই খাতের টেকসই উন্নয়নের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি, গবেষণা জোরদার এবং একাডেমিয়া ও শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর সংযোগ স্থাপন অপরিহার্য।
সেমিনারটি ব্যাংকার, শিক্ষাবিদ, গবেষক ও ইসলামী স্কলারদের মধ্যে জ্ঞান বিনিময় ও নেটওয়ার্কিংয়ের একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে। অংশগ্রহণকারীরা এমন আয়োজনকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।