ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট উপলক্ষ্যে টাঙ্গাইলের আটটি সংসদীয় আসনে সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহনের প্রস্তুতি চলছে। আটটি আসনের ১০৬৩টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য ২৩৬০ সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে।
এর মধ্যে টাঙ্গাইল -১(মধুপুর -ধনবাড়ি) আসনের মধুপুর উপজেলায় ৮৯টি কেন্দ্রে ২৩৮ টি ও ধনবাড়ি উপজেলায় ৫১ টি কেন্দ্রে ১৪৬ টি, টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর - ভূঞাপুর) আসনের গোপালপুর উপজেলার ৭৭টি কেন্দ্রে ১৫৪টি ও ভূঞাপুর উপজেলার ৬১টি কেন্দ্রে ২৬৪টি, টাঙ্গাইল -৩ (ঘাটাইল) আসনের ১২২টি কেন্দ্রে ২০০টি, টাঙ্গাইল-৪(কালিহাতী) আসনের ১১৪টি কেন্দ্রে ১৬৯টি, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের ১৩০টি কেন্দ্রে ২৬০টি, টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের দেলদুয়ার উপজেলার ৫৮টি কেন্দ্রে ১৩২ টি ও নাগরপুর উপজেলার ৯৬টি কেন্দ্রে ২৩৩টি,টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে ১২৬টি কেন্দ্রে ৩০০টি এবং টাঙ্গাইল-৮ ( বাসাইল-সখিপুর) আসনের বাসাইল উপজেলার ৫৫টি কেন্দ্রে ১১৪টি ও সখিপুর উপজেলার ৭৬টি কেন্দ্রে ১৫০টি সিসি ক্যামেরা।
এছাড়াও ভোটগ্রহনের পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে যৌথবাহিনী টহল দিচ্ছেন বিভিন্ন এলাকায়। নির্বাচনী আচরণবিধি বিষয়ে দায়িত্বে নিয়োজিত থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবেন ৬৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
আটটি আসনে ১০৬৩টি কেন্দ্রে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর মোট ১৮৮৯৬ জন সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। এরমধ্যে পুলিশ সদস্য ২৪২৫ জন, বিজিবি ৩৮০ জন, সেনাবাহিনীর ২০০০ জন এবং আনসার সদস্য ১৩৮১৯ জন, র্যাব সদস্য ৮০ জন এবং ব্যাটেলিয়ন আনসার ১৯২ জন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শরীফা হক বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক করতে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ। প্রতিটি উপজেলায় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও আনসার ব্যাটালিয়ন মোতায়েন করা হয়েছে। যেকোনো বিশৃঙ্খলা দমন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। প্রতিটি উপজেলায় যৌথবাহিনীর টহল চলমান রয়েছে । ইতোমধ্যে টাঙ্গাইল জেলার আটটি আসনের প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্হাপন করা হয়েছে। গুরুত্বপুর্ন কেন্দ্রগুলো বিশেষ নজরদারিতে রাখা হবে। উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন করতে আমরা বদ্ধপরিকর।’