জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় নিরাপত্তাকর্মীকে বেঁধে ৩টি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৬ মে) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে পৌর এলাকার বুড়াইল সরদারপাড়া মাঠে থেকে এই চুরির ঘটনা ঘটে।
এসময় চোরেরা সেখানকার নিরাপত্তাকর্মীকে বেঁধে রাখেন। পরদিন রোববার (১৭ মে) সকালে স্থানীয় লোকজন নিরাপত্তাকর্মীকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করেন।
নলকূপের মালিক মাহবুব হোসেন সরদার বলেন, ‘সম্প্রতি এলাকায় ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। আমরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও পুলিশের কাছে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেব।’
স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, চলতি সেচ মৌসুমের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ক্ষেতলাল উপজেলার বিভিন্ন মাঠ থেকে প্রায় ২০/২২টি ট্রান্সফরমার এবং অন্তত ১৫টি বৈদ্যুতিক মিটার চুরির ঘটনা ঘটেছে। একের পর এক চুরির ঘটনার কারণে মাঠের সেচ ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়ছে।
এ বিষয়ে জয়পুরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ক্ষেতলাল জোনাল অফিসের এজিএম তৌকির আহমেদ বলেন, বুড়াইল মাঠে একটি গভীর নলকূপের ৩টি ট্যান্সফরমারের মালামাল চুরি হয়েছে। এ মৌসুমে উপজেলায় আরও ২০/২২টি ট্যান্সফরমার ও ১৫টি মিটার চুরির ঘটনা ঘটেছে। আমরা এসব বিষয়ে থানায় জিডি করেছি এবং কৃষকদের সচেতনতায় মাইকিং করছি।’
এদিকে একই উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের সরকারপাড়া এলাকায় ধান ব্যবসায়ী এম এম হিরো সরকারের বাড়িতে দিনে-দুপুরে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে।
বাড়ির মালিক এস এম হিরো জানান, সকালে পরিবারের সদস্যরা প্রয়োজনীয় কাজে বাইরে গেলে দুর্বৃত্তরা ঘরের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে দুপুর ২টার দিকে বাড়িতে ফিরে দেখতে পাই, আলমারি ও বিভিন্ন আসবাবপত্র তছনছ করে নগদ ৬ লাখ টাকা এবং ৬ ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে গেছে।
ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তাদুল আলম বলেন, আলমপুরে একটি বাড়িতে চুরির ঘটনা জানতে পেরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। গতরাতে বুড়াইল মাঠে একটি গভীর নলকূপে ট্রান্সফরমারের মালামাল চুরি হয়েছে, পুলিশ চোরদের ধরতে কাজ করছে।