সুনামগঞ্জে এক সরকারি কর্মচারীকে হানিট্র্যাপে ফেলেছেন আরেক সরকারি কর্মচারী। ওই সরকারি কর্মচারীকে ট্র্যাপে ফেলে বিবস্ত্র করে চালানো হয় নির্যাতন। বিবস্ত্র অবস্থায় মারধরের ভিডিও ধারণ করে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে দাবি করা হয় চাঁদা।
বারবার চাঁদা দাবির পর বাধ্য হয়ে সুনামগঞ্জ সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী। অভিযোগ পেয়ে সাথে সাথে অভিযানে নামে পুলিশ। আটক করা হয় সরকারি কর্মচারী অজিত দাসকে (৩৩)। তাকে নিয়ে অভিযুক্ত তরুণীকে ধরতে বাসায় গেলে তাকে না পেয়ে অভিযুক্ত কর্মচারীকে দিয়ে নতুন ফাঁদ পাতে পুলিশ। অজিতের মাধ্যমে খবর পাঠানো হয় আরেকজন মক্কেল পাওয়া গেছে যার মাধ্যমে আরও অর্থ আদায় করা যাবে। এই খবর পেয়ে ছুটে আসেন ওই অভিযুক্ত তরুণী।
অভিযুক্ত তরুণী আসতেই তাকে আটক করের ওৎ পাতা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রতন সেখ এবং উপ-পরিদর্শক জহির হোসেনের টিম। অভিযুক্ত তরুণী তুলনা আক্তার জামালগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। আর অজিত দে শহরের ধোপাখালীর বাসিন্দা।
সুনামগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রতন সেখ বলেন, ‘একটি ভিডিও সহকারে ভুক্তভোগী এসপি স্যারের কাছে অভিযোগ করেন। এসপি স্যারের নির্দেশনা পেয়ে আমরা মাঠে নামি। কৌশলে অভিযুক্ত দুইজনকে আটক করতে সক্ষম হই। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’