তেলের লাইনের পর এবার সংকটে রাইড শেয়ারিং চালকদের আয়ে। রাজধানীর রাস্তায় বদলে গেছে দৃশ্য, কিন্তু বদলায়নি কষ্টের হিসাব। রাইড শেয়ারিং চালকদের প্রশ্ন- পাম্পে লাইন ছোট হয়েছে, সময় বাঁচছে, তবু কেন কমছে আয়?
মোহাম্মদপুরের একটি ফিলিং স্টেশনে সকালে দাঁড়িয়ে রাসেল হোসেন দেখলেন, আগের মতো দীর্ঘ লাইন নেই। দ্রুত তেল নিয়ে রাস্তায় নামলেন, চালু করলেন ‘পাঠাও’ অ্যাপ। কিন্তু দিনের শেষে আয়ের সাথে হিসাব মিলছে না ব্যয়ের।
অকটেনের দাম এখন লিটারপ্রতি ১৪০ টাকা, যা আগে ছিল ১২০ টাকা। দেশের ইতিহাসে এই দাম সর্বোচ্চ। যেই ট্যাংক ভরতে আগে প্রায় ৩০০ টাকা লাগত, এখন লাগছে প্রায় ৪০০ টাকা। কিন্তু ট্রিপপ্রতি আয় একই, কমিশনও অপরিবর্তিত ফলে কমছে লাভ।
জ্বালানি সংকট কমায় লাইনের চাপ কমেছে ঠিকই, কিন্তু চালকদের জন্য এটি কেবল সমস্যার রূপ বদল। আগে সময় নষ্ট হতো, এখন বাড়তি খরচে কমছে আয়।
সংকটের আগে দিনে ১,২০০ থেকে ১,৫০০ টাকা আয় করলেও, এখন সেই অঙ্ক টিকিয়ে রাখা কঠিন।
অন্যদিকে, যাত্রীরা পড়ছেন দ্বিগুণ ভোগান্তিতে। বাড়তি ভাড়া, দীর্ঘ অপেক্ষা, অনিশ্চিত রাইড- সব মিলিয়ে প্রতিদিনের যাতায়াত মানেই এক ক্লান্তিকর সংগ্রাম। কেউ সময় হারাচ্ছেন, কেউ হারাচ্ছেন আয়ের হিসাব। এখন সবার একই প্রশ্ন, এই দুঃসহ পরিস্থিতি থেকে স্বস্তি মিলবে কবে?