সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
| ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
দেশের মোবাইল গ্রাহকদের জন্য বড় সুখবর দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি)। বিশেষ করে অফিস কিংবা বাসাবাড়ির ভেতরে মোবাইলে কথা বলা বা ইন্টারনেট ব্যবহারে গ্রাহক ভোগান্তি কমাতে ও অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করতে ‘ই-জিএসএম’ ব্যান্ডের তরঙ্গ বরাদ্দ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সংস্থাটি। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো ইনডোর নেটওয়ার্ক কভারেজ শক্তিশালী করা এবং গ্রাহক ভোগান্তি কমিয়ে আনা।
ব্যবহৃত মোবাইল ফোন হস্তান্তর বা বিক্রির আগে অথবা সিমকার্ড পরিবর্তনের আগে অবশ্যই নিবন্ধন বাতিল করতে হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেম পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হওয়ার পর এই নির্দেশনা দিয়েছে কমিশন।
ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিফিকেশন রেজিস্টার (এনইআইআর) পদ্ধতি আগামী তিন মাস বন্ধ থাকবে। এনইআইআর পদ্ধতিতে দেশের নেটওয়ার্কে নতুন যুক্ত হওয়া অবৈধ হ্যান্ডসেটগুলো বন্ধ করা হয়।
ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) ব্যবস্থা চালুর প্রতিবাদে আগামীকাল শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সারাদেশে দোকানপাট বন্ধ রাখার কর্মসূচি ঘোষণা করেছে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের সংগঠন 'মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ' (এমবিসিবি)। আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি এ তথ্য জানায়।
মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের বাধ্যবাধকতার অংশ হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার থেকে চালু হয়েছে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিফিকেশন রেজিস্টার (এনইআইআর)। এনইআইআর পদ্ধতি চালুর প্রতিবাদে এদিন বিকেল ৪টার পর রাজধানীর আগারগাঁও টেলিকম খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছেন মোবাইল ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীরা এনিআইআর স্থগিতদের দাবি করেছে।
বর্তমান যুগে মোবাইল ফোন যেন জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। কাজ, খবর, যোগাযোগ, বিনোদন— সব কিছুতেই আমরা এই ছোট্ট ডিভাইসটির উপর নির্ভরশীল।