পরমাণু যুদ্ধের প্লট তৈরি করছেন নেতানিয়াহু!
পরমাণু যুদ্ধের প্লট তৈরি করছেন নেতানিয়াহু!

আঞ্চলিক হুমকি মোকাবিলা এবং আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে নিজের বিজয়ের সম্ভাবনা বাড়িয়ে তোলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে একপ্রকার বাধ্য করেই ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামিয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। দীর্ঘ দুই দশকের ক্ষমতায় নেতানিয়াহুর মূল আকর্ষণ ছিল ‘ইসরায়েল রাষ্ট্রে’র শর্তহীন নিরাপত্তার নিশ্চয়তা। এই নিশ্চয়তা হুমকির মুখে পড়ে যখন ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলি সীমানায় প্রবেশ করে আল কাসসাম ব্রিগেড এক নজিরবিহীন সামরিক অভিযান চালায়। এ ঘটনার পর তেল আবিবের ‘নিরাপত্তা নীতি’ নতুন করে ঢেলে সাজান নেতানিয়াহু, ফলে এখন থেকে কোনো হুমকি গজিয়ে উঠার আগেই তা নির্মূলের নির্দেশ দেওয়া হয় দেশটির গোয়েন্দা, নিরাপত্তা ও সশস্ত্র বাহিনীকে।

ট্রাম্প–নেতানিয়াহু সম্পর্কে কি সত্যিই ফাটল ধরেছে?
ট্রাম্প–নেতানিয়াহু সম্পর্কে কি সত্যিই ফাটল ধরেছে?

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সম্পর্ক নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কয়েকটি প্রভাবশালী গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে কেন্দ্র করে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে অত্যন্ত উত্তপ্ত টেলিফোন আলাপ হয়েছে। এমনকি ট্রাম্প ক্ষুব্ধ হয়ে নেতানিয়াহুকে কঠোর ভাষায় তিরস্কারও করেছেন বলে খবর বেরিয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এতদিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র দুই নেতার মধ্যে কি সত্যিই বড় ধরনের ফাটল ধরেছে, নাকি এটি কেবল পর্দার আড়ালের আরেকটি কূটনৈতিক চাল?

আহমাদিনেজাদকে ইরানের ক্ষমতায় বসানোর মার্কিনি চাল যেভাবে ভেস্তে গেল
আহমাদিনেজাদকে ইরানের ক্ষমতায় বসানোর মার্কিনি চাল যেভাবে ভেস্তে গেল

ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি ও দেশটির শীর্ষ সামরিক নেতৃত্ব নিহত হওয়ার পর যুদ্ধ-পরবর্তী তেহরানের ক্ষমতা কাঠামো নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের একটি অত্যন্ত গোপন ও চাঞ্চল্যকর পরিকল্পনা ফাঁস হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের একটি বিশেষ প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিকেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রশাসন ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদকে দেশটির শাসনভারের প্রধান হিসেবে বসানোর একটি সুদূরপ্রসারী ও ঝুঁকিপূর্ণ রেজিম চেঞ্জ বা শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের জুয়া খেলেছিল। তবে অত্যন্ত নাটকীয়ভাবে শুরুর পরপরই এই গোপন মিশনটি পুরোপুরি মুখ থুবড়ে পড়েছে।