শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
| ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
একসময় এই মাঠেই অশ্রুসিক্ত চোখে দাঁড়িয়ে ছিলেন লিওনেল মেসি। কণ্ঠে ছিল হতাশা, মনে ছিল গভীর কষ্ট। ম্যাচ শেষে আর্জেন্টিনার জার্সিতে আর না খেলার ঘোষণাও দিয়েছিলেন তিনি। প্রায় এক দশক পর সেই একই মেটলাইফ স্টেডিয়ামেই ফিরছেন মেসি, তবে এবার বিদায়ের জন্য নয়, বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলতে।
ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির নেতৃত্বে টানা দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ওঠায় উচ্ছ্বসিত যেমন হয়েছেন আর্জেন্টিনা সমর্থকরা, তেমনি হতাশ হয়েছেন অনেক মেসি-বিরোধী ভক্ত। তাদেরই একজন জনপ্রিয় মার্কিন ইউটিউবার আইশোস্পিড।
আটলান্টায় শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই লেখা হলো বিশ্বকাপের নতুন ইতিহাস। ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকার বর্তমান দুই মহাদেশীয় চ্যাম্পিয়ন, স্পেন ও আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই প্রথম এমন একটি ফাইনাল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। একই সঙ্গে এটি হবে স্প্যানিশ ভাষাভাষী দুই দেশের মধ্যে বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্বিতীয় ফাইনাল। এর আগে ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপে শিরোপার লড়াই হয়েছিল উরুগুয়ে ও আর্জেন্টিনার মধ্যে।
ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল এবার শুধু মাঠের লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ থাকছে না। দর্শকদের জন্য প্রথমবারের মতো রাখা হয়েছে সুপার বোলের আদলে বিশেষ বিরতির সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আর এই আয়োজনের কারণে স্বাভাবিক ১৫ মিনিটের বিরতি বেড়ে ২০ থেকে ২৫ মিনিট পর্যন্ত হতে পারে।