বিশ্বকাপ শেষ হলেও আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড কোয়ার্টার ফাইনালের বিতর্ক এখনো আলোচনায়। বিশেষ করে ব্রিল এমবোলোকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত এবং ম্যাচে লিওনেল মেসির সঙ্গে রেফারি জোয়াও পিনেইরোর কথোপকথন নিয়ে নতুন করে মুখ খুলেছেন পর্তুগিজ এই রেফারি।
মার্কাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পিনেইরো জানান, প্রথমে রেফারিং দল আর্জেন্টিনার লিয়েন্দ্রো পারেদেসের চ্যালেঞ্জকে ফাউল মনে করেছিল। তবে ভিএআর পর্যালোচনায় দেখা যায়, কোনো ফাউল হয়নি। বরং এমবোলো ইচ্ছাকৃতভাবে ফাউলের অভিনয় করেছিলেন। তাই তাকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয় এবং মাঠ ছাড়তে হয়। যদিও পরে আইএফএবি জানায়, ওই পরিস্থিতিতে নিয়মের সঠিক প্রয়োগ হয়নি এবং সেই সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। তবে ফিফা সিদ্ধান্তটিকে নিজেদের যুক্তিতে সমর্থন করেছে।
ম্যাচ চলাকালে মেসির সঙ্গে হওয়া কথোপকথন নিয়েও ব্যাখ্যা দেন পিনেইরো। তিনি বলেন, ‘মেসি আমার সঙ্গে কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলছিলেন, অন্য খেলোয়াড়রাও বলেছে। অধিনায়করা সাধারণত রেফারিদের সঙ্গে বেশি কথা বলে এবং নতুন নিয়মেও এই সংলাপের সুযোগ রয়েছে। ওই ঘটনায় মেসির নাম জড়িয়ে যাওয়ায় বিষয়টি অনেক বেশি আলোচিত হয়েছে। কিন্তু এমন আলোচনা অনেক ফুটবলারের সঙ্গেই হয়। মেসি বা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো জড়িত থাকলে মানুষ বিষয়গুলো ভিন্নভাবে দেখে।’
রেফারির দাবি, মাঠের ওই আলোচনা ছিল পুরোপুরি স্বাভাবিক। তার ভাষায়, ‘এগুলো গঠনমূলক আলোচনা। হয়তো সে আমার কোনো সিদ্ধান্ত ভুল বুঝেছিল। আমরা কথা বলেছি, একে অপরকে বুঝেছি, তারপর খেলা এগিয়ে নিয়েছি। বিশ্বকাপের মতো আসরে এমন অভিজ্ঞতা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।’
বিশ্বকাপ শেষ হলেও সেই ম্যাচের ভিএআর সিদ্ধান্ত এবং মেসি-রেফারির কথোপকথন এখনো ফুটবল অঙ্গনের অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে রয়েছে।