সুপার এইট পর্বের শুরুটা ভালো হয়নি স্বাগতিক ভারতের। নিজেদের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বড় ব্যবধানে হেরে চাপে পড়ে যায় সূর্যকুমার যাদবের দল। তবে পরের দুই ম্যাচে জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়ে নিশ্চিত করে সেমিফাইনালের টিকিট।
এবার নকআউট মঞ্চে উত্তেজনার পালা। আগামীকাল বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ড। আর ৫ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে লড়বে ইংল্যান্ড ও ভারত।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে ভারত ও ইংল্যান্ডের এটি তৃতীয় সেমিফাইনাল দ্বৈরথ। আগের দুই দেখায় একবার জিতেছে ভারত, অন্যবার ইংল্যান্ড। ফলে পরিসংখ্যান বলছে, মান শক্তির লড়াই হতে যাচ্ছে আবারও।
প্রথম সেমিফাইনাল হয়েছিল ২০২২ সালে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেডে। সেই ম্যাচে আগে ব্যাট করে ভারত তোলে ১৬৮ রান। বিরাট কোহলি করেন ৫০, হার্দিক পান্ডিয়া ৬৩ রান। কিন্তু ওপেনার জস বাটলার ও অ্যালেক্স হেলসের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে কোনো উইকেট না হারিয়েই ভারতকে লজ্জার হার উপহার দিয়েছিল ইংলিশরা।
তবে ২০২৪ সালের সেমিফাইনালে পাল্টা জবাব দেয় ভারত। অধিনায়ক রোহিত শর্মার ৫৭ রানের ইনিংসে দল করে ১৭১ রান। জবাবে ইংল্যান্ড গুটিয়ে যায় মাত্র ১০৩ রানে। ৬৮ রানের বড় জয় নিয়ে আগের হার শোধ করে ভারত।
এবার তৃতীয়বারের মতো সেমিফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। অতীতের স্মৃতি, পরিসংখ্যান আর সাম্প্রতিক ফর্ম; সব মিলিয়ে ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। শেষ পর্যন্ত কারা ফাইনালের টিকিট কাটবে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।